IER ( ইন্সটিটিউট অফ এডুকেশন এন্ড রিসার্চ ) Subject Review In Bangla

0
6

১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাবির শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট। বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রের অ্যাপেক্স বলা হয় এই ইন্সটিটিউটকে। বিগত বছরগুলোতে সাধারণত “বি” এবং “ডি” ইউনিট থেকে পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীরা আই.ই.আরে ভর্তির সুযোগ পেতো৷ তবে এবারের নিয়ম অনুযায়ী “এ” ইউনিট থেকেও শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে এখানে।

যা যা পড়ানো হয়ঃ
ইন্সটিটিউটের প্রত্যেকটি ব্যাচ ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, ভাষা শিক্ষা ও বিশেষ শিক্ষা- এই পাঁচটি স্ট্রীমে বিভক্ত। যেগুলোকে ডিপার্টমেন্টও বলা হয়ে থাকে।
প্রত্যেক স্ট্রীমেই বাধ্যতামূলক কিছু কোর্স করতে হয় এডুকেশন এবং ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কিত।

ভৌতবিজ্ঞানে পড়ানো হয় ঃ পদার্থ, রসায়ন, গণিত
জীববিজ্ঞানে পড়ানো হয় ঃ প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, রসায়ন
সামাজিক বিজ্ঞানে পড়ানো হয়ঃ সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান/ইতিহাস, অর্থনীতি/ভূগোল
ভাষাশিক্ষায় পড়ানো হয়ঃ বাংলা এবং ইংলিশ
বিশেষ শিক্ষায় পড়ানো হয় ঃ সমাজবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান এবং বিশেষ শিক্ষা সম্পর্কিত কোর্স।

এছাড়া পুরো একটি সেমিস্টার শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে টিচিং কোর্স করতে হয়। ছয় মাস ব্যাপী এক সেমিস্টারের পুরোটিই কোনো প্রাথমিক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিজেদের দক্ষতা যাচাই ও অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ থাকে।

স্নাতকোত্তর পর্যায়ে গিয়ে রয়েছে নিজের স্ট্রীমের বাইরের কোনো ডিপার্টমেন্ট চয়েজের সুযোগ।

অনার্স এবং মাস্টার্স কোর্সের সময়কাল: চারবছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ এডুকেশন বা (বি.এড) এবং একবছর মেয়াদী মাস্টার অফ এডুকেশন বা (এম.এড)

দেশে চাকুরী এবং গবেষণা ক্ষেত্র:
মূলত শিক্ষা ও এই সম্পর্কিত গবেষণাই এখানকার শিক্ষার্থীদের মূল লক্ষ্য। জাতীয় কারিকুলাম ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের ক্ষেত্রে অবদান রাখা ছাড়াও পিটিআই ইন্সট্রাক্টর, থানা শিক্ষা অফিসার, বিভিন্ন এনজিওতে এডুকেশন ম্যাটেরিয়াল স্পেশালিস্ট, প্রাইভেট বা পাবলিক ভার্সিটিতে শিক্ষকতা, জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (NAEM), (জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী)NAPE, বিভিন্ন আন্তজার্তিক সংস্থায় রয়েছে কাজ করার অনেক সুযোগ। বিশেষ শিক্ষার শিক্ষার্থীদের কাজ করার জন্যে রয়েছে অনেক বড়ো কিছু প্ল্যাটফর্ম। স্পেশাল চাইল্ড এবং ডিজ্যাবিলিটি নিয়ে কাজ করে থাকে এমন জায়গাগুলোতে আইইআরের বিশেষশিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়। নিজের সেক্টরের বাইরে গিয়েও ব্যাংকজব বা বিসিএসে নিজের দক্ষতার ছাপ রাখছেন অনেকেই।

উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশ গমনের হার: উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে অসংখ্য শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান যায় শিক্ষা নিয়ে পড়তে।
ইউজিসি কর্তৃক প্রদত্ত কমনওয়েলথ স্কলারশিপে আই.ই.আরের জন্যে রয়েছে আলাদা সুযোগ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here